1. bellal.dabur@gmail.com : Bellal :
  2. rand@rand.com : :
  3. admin@digontodhara.news : digonto :
  4. digontodhara@gmail.com : digontodhara@gmail.com :
  5. rbtv2020@gmail.com : muskan2050 :
  6. zillurk85@gmail.com : Zillur :
মেয়ের মৃতদেহ মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরলেন বাবা - Digonto Dhara,News মেয়ের মৃতদেহ মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরলেন বাবা - Digonto Dhara,News
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, অতিষ্ঠ শহরবাসী শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি সিরাজ শেখ’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০ পাকিস্তানের হয়ে খেলতে চেয়ে ৫ বছর নিষিদ্ধ উসমান গোপালগঞ্জের শ্রীধাম ওড়াকান্দিতে মহাবারুনীর স্নানোৎসব জিম্মি চুক্তিতে হামাসকে রাজি করাতে মিসর ও কাতারের দ্বারস্থ বাইডেন চাঁদাবাজী করাকালীন কিশোর গ্যাং চক্রের ০৬ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০ টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল ইরানে ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ তিন নিরাপত্তা কর্মী নিহত ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আসামি আবুল কালাম ও মাসুম’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০

মেয়ের মৃতদেহ মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরলেন বাবা

  • প্রকাশ কাল : বুধবার, ১৭ মে, ২০২৩
  • ২৬ জন দেখেছে

ভারতে এবার ঘটে গেল এক হৃদয় বিদারক ঘটনা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্স না দেওয়ায়, মেয়ের মৃতদেহ মোটরসাইকেলে করে বাড়ির আনলেন বাবা। এমন ঘটনায় ব্যথিত হয়েছেন সবাই।

জানা গেছে, অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত ১৩ বছরের মেয়েকে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন বাবা। সোমবার (১৫ মে) রাতেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন মেয়ে। মেয়েটির মরদেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অ্যাম্বুলেন্স চান বাবা।

কিন্তু হাসপাতাল থেকে বাড়ি দূরত্ব প্রায় ৭০ কি.মি. হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্স দিতে রাজি হননি
ঐ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আলাদা গাড়ি ভাড়া করে মেয়ের মরদেহ নিয়ে যাওয়ার মত টাকা নেই ছিল তার কাছে। তাই মেয়ের মরদেহ নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরেন বাবা।

এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের শাহদোরে। শাহদোল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে কোটা গ্রামের বাসিন্দা লক্ষ্মণ সিং। ১৩ বছরের মেয়ে মাধুরীকে শাহদোলের এক সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছিলেন তিনি।

মৃত মেয়ের বাবা বলেন, আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অ্যাম্বুলেন্স চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা জানান যে, ১৫ কিলোমিটারের বেশি দূরে বাড়ি হলে অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না। আমাদের নিজেদের ব্যবস্থা করে নিতে। টাকার অভাব, কিন্তু মেয়েকে তো বাড়ি নিয়ে যেতে হবে। তাই মেয়ের দেহ মোটরসাইকেলে ঝুলিয়ে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

লক্ষ্মণের অসহায়তার খবর পেয়ে সাহায্য করেন শাহদোলের কালেক্টর বন্দনা বৈদ্য। লক্ষ্মণের বাড়ি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার আগে তাকে ওই ভাবে মেয়ের দেহ নিয়ে যেতে দেখেন বন্দনা। তখনই লক্ষ্মণকে একটি গাড়ির ব্যবস্থা করে দেন তিনি। এমন ঘটনায় নিন্দার ঝড় বইছে ঐ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। এবং ঐ হাসপাতালের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান কালেক্টর বন্দনা বৈদ্য।

সূত্র: এনডিটিভি

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরনের আরও খবর
© All rights reserved © 2016 digontodhara.news
Theme Customized By BreakingNews