1. bellal.dabur@gmail.com : Bellal :
  2. rand@rand.com : :
  3. admin@digontodhara.news : digonto :
  4. digontodhara@gmail.com : digontodhara@gmail.com :
  5. rbtv2020@gmail.com : muskan2050 :
  6. zillurk85@gmail.com : Zillur :
সর্বনিম্ন এলসি সেপ্টেম্বরে ৩৫ মাসের মধ্যে - Digonto Dhara,News সর্বনিম্ন এলসি সেপ্টেম্বরে ৩৫ মাসের মধ্যে - Digonto Dhara,News
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যেখানে সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ, অতিষ্ঠ শহরবাসী শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি সিরাজ শেখ’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০ পাকিস্তানের হয়ে খেলতে চেয়ে ৫ বছর নিষিদ্ধ উসমান গোপালগঞ্জের শ্রীধাম ওড়াকান্দিতে মহাবারুনীর স্নানোৎসব জিম্মি চুক্তিতে হামাসকে রাজি করাতে মিসর ও কাতারের দ্বারস্থ বাইডেন চাঁদাবাজী করাকালীন কিশোর গ্যাং চক্রের ০৬ জন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০ টি-টোয়েন্টিতেও হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল ইরানে ‘সন্ত্রাসী হামলায়’ তিন নিরাপত্তা কর্মী নিহত ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আশা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আসামি আবুল কালাম ও মাসুম’কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১০

সর্বনিম্ন এলসি সেপ্টেম্বরে ৩৫ মাসের মধ্যে

  • প্রকাশ কাল : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৭১ জন দেখেছে

দিগন্তধারা প্রতিবেদক:আমদানি-রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ এবং প্রয়োজনীয় ডলার ব্যাংকগুলো দিতে না পারায় লেটার অব ক্রেডিট (এলসি) বা ঋণপত্র খুলতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দিন দিন এই সংকট তীব্রতর হচ্ছে। গত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তি করা হয়েছে সেপ্টেম্বরে। এলসি খোলার পরিমাণও আগস্টের তুলনায় প্রায় ১৬.১ শতাংশ কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এলসি সেটেলমেন্ট বা আমদানি পেমেন্ট সেপ্টেম্বরে ছিল ৪.৩৭ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের অক্টোবরের পর থেকে সর্বনিম্ন সেপ্টেম্বরে ব্যাংকগুলো ৪.৬৯ বিলিয়ন ডলারের এলসি খুলেছে, যা আগস্টে ছিল ৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার। বেশ কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পেমেন্টের চাপ কমাতে গত এক বছর ধরে ব্যাংকগুলো এলসি খোলা কমিয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ডলারের সংকটের কারণে ক্যাপিটাল মেশিনারি, মধ্যবর্তী পণ্যের জন্য এলসি খোলার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ভবিষ্যতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হবে এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। ব্যাংকগুলোরও কিছু করার নেই, কারণ তাদের কাছে পর্যাপ্ত ডলার নেই ।

ব্যাংকাররা বলছেন, এখন যে পেমেন্ট করা হচ্ছে, তার একটি বড় অংশ ছয় মাস আগে খোলা ডিফার্ড এলসি পেমেন্ট। সাইট এলসি এখন প্রায় নেই বললেই চলে। এসব এলসি খোলার এক মাসের মধ্যে পরিশোধ করতে হয়। ব্যাংকের কাছে এখন আগে খোলা ডিফার্ড এলসির ম্যাচিউরিটি পোর্টফোলিও রয়েছে, যে অনুসারে তারা পেমেন্টের সময় নির্ধারণ করছে। তারা বলেন, জুলাই ও আগস্টে ব্যাংকগুলোর ডলারের তারল্য ভালো ছিল। সেপ্টেম্বরে তারল্য কিছুটা কমেছে, তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় তা ভালো। ব্যাংকগুলো এখন এলসি খোলার ব্যাপারে খুবই সতর্ক। তাদের মতে, আগামী দিনে ডলারের অবস্থা কেমন হবে তা বোঝা যাচ্ছে না।

রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় ব্যাংকগুলোর এলসি খোলার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে উল্লেখ করে একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, তাদের ডলারের অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৫০০-৬০০ মিলিয়ন ডলার কম। এর ফলস্বরূপ তারা সহজে এলসি খুলছেন না।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এধরনের আরও খবর
© All rights reserved © 2016 digontodhara.news
Theme Customized By BreakingNews