✍️ শিশু লেখক: তানজিয়া আফরিন সোহা
শ্রেণী: ৬ষ্ঠ শ্রেণী
বিদ্যালয়: মাতুয়াইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা
🌿 Chapter 1: First Meet (প্রথম দেখা)
গ্রীনল্যান্ডে বাস করত তিনজন বিশেষ শিশু — Keya, Suhan ও Robin। তিনজনেরই ছিল Super Power।
প্রথমে তারা একে অপরকে চিনতো না। তাদের বয়স ছিল ১০ বছর। জন্মের পরপরই বিভিন্ন কারণে তাদের মা-বাবা মারা যান।
এক সকালে Keya ঘুম থেকে উঠে চোখ মেলতে মেলতে বলল,
“হাহ! সকাল হয়ে গেছে, যাই খাবার খেয়ে আমার পছন্দের গাছটার নিচে বসি।”
খাবার খেয়ে বাইরে বেরিয়ে Keya আনন্দে বলল,
“আহা! কী সুন্দর আবহাওয়া!”
সে তার প্রিয় গাছটির দিকে হাঁটতে লাগল। গাছটির কাছে পৌঁছে খুব খুশি হলো — কারণ আজ গাছে আপেল ধরেছে! আপেল পেড়ে গাছের নিচে বসে বলল,
“হুম, খুব মজা!”
সেখানে আগে থেকেই Suhan বসে ছিল। কিছুক্ষণ পর Robin এসে গাছের নিচে বসলো।
তিনজন একসাথে জড়ো হতেই তাদের শরীর থেকে নীল আলো (Blue Light) জ্বলে উঠল।
তারা জানত — যখন তিনজন Super Power-ধারী প্রথমবার একত্রিত হয়, তখনই Blue Light জ্বলে ওঠে।
Robin (Extrovert) খুশি হয়ে জিজ্ঞেস করল,
“তাহলে তোমাদেরও Super Power আছে!?”
Keya ও Suhan একসাথে বলল, “হ্যাঁ!”
Robin: “আমরা কি বন্ধু হতে পারি?”
Keya: “অবশ্যই, কেনো না?” (Ambivert)
Suhan: “ঠিক আছে।” (Introvert)
Robin: “আমি Robin, তোমরা?”
Keya: “আমি Keya।”
Suhan: “আমি Suhan।”
Robin: “আমাদের টিমের একটা নাম দিই না?”
Suhan: “‘Super Heroes’ দিলে কেমন হয়?”
Robin: “আমরা তো আসল হিরো না।”
Keya: “‘SKR’ দিলে কেমন হয়? এটা আমাদের নামের প্রথম অক্ষর।”
Robin: “Perfect!”
Suhan: “Nice!”
Keya: “ঠিক আছে, এখন আমার যেতে হবে। কাল আবার এখানেই দেখা হবে, ঠিক আছে?”
Robin: “Ok!”
Suhan: “হুম।”
🌈 Chapter 2: Imaginary World (কল্পনার জগৎ)
পরের দিন তারা আবার গাছের নিচে দেখা করল।
Robin: “চলো কিছু গেম খেলি।”
Keya: “আচ্ছা, কেমন হয় যদি আমরা নিজেদের একটা Imaginary World বানাই?”
Robin: “হুম, দারুণ আইডিয়া।”
Suhan: “নাম কী দেব?”
Keya: “‘Neon World’ কেমন?”
Robin: “ভালো! চল, বানানো শুরু করি।”
তারা তাদের Imaginary World তৈরি করে সেটিতে প্রবেশ করল। সেখানে ছিল মনোমুগ্ধকর পরিবেশ—তারা তাবু বসাল, খাবার খেল এবং অনেক মজা করল।

তারা নতুন জগৎটা ঘুরে দেখতে লাগল। হঠাৎ Robin দূরে একটি গ্রাম দেখতে পেল।
“দেখো! একটা গ্রাম দেখা যাচ্ছে, চলো সেখানে যাই!”
তারা সেই গ্রামে প্রবেশ করল। গ্রামটির নাম ছিল Rabbit Village।
এখানকার খরগোশরা মানুষের মতো আধুনিক — বাঁশ ও কাঠ দিয়ে বাড়ি বানিয়েছে, রান্না করে, এমনকি কথা বলতেও পারে! তাদের লিডার Reyon এগিয়ে এসে বলল,
“Rabbit Village-এ তোমাদের স্বাগতম!”
Reyon তাদের পুরো গ্রাম ঘুরিয়ে দেখাল।
একটি বড় বটগাছ দেখিয়ে বলল,
“এই গাছের নিচে প্রতি বছর একটা মেলা হয়।”
হঠাৎ Keya একটি বিশাল পায়ের ছাপ দেখে জিজ্ঞেস করল,
“এই বিশাল দানবের মতো পায়ের ছাপটা কার?”
Reyon: “এটা আমাদের গ্রামের ভয়ংকর Giant Rabbit Moonstar-এর। সে মাঝে মাঝে এসে ৪–৫ জন খরগোশকে তুলে নিয়ে যায়!”
Keya: “আমরা তোমাদের বাঁচাবো।”
Robin: “হ্যাঁ!”
Suhan: “হুম।”
তারা সিদ্ধান্ত নিল—এই গ্রামেই থাকবে।
রাতে তারা Rabbit গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসে খাবার খেতে লাগল।
Baby Rabbit: “তোমাদের নাম কী?”
Keya: “আমি Keya।”
Robin: “আমি Robin।”
Suhan: “আমি Suhan।”
Baby Rabbit: “আমি Roco। জানো? আমার নামে একটা বন আছে!”
Robin: “ওহ!”
তারপর তারা ঘুমিয়ে পড়ল তাবুতে।
⚔️ Chapter 3: Fight With Monster (দানবের সঙ্গে যুদ্ধ)
রাতের গভীরে খরগোশদের চিৎকারে তারা ঘুম থেকে জেগে উঠল!
তাবু থেকে বের হয়েই দেখল — সেই ভয়ংকর Moonstar Monster হাজির!
Keya: “Fight-এর জন্য প্রস্তুত হও!”
Suhan: “হুম।”
Robin: “SKR! Go!”
যুদ্ধ শুরু হলো।
Keya বলল —
“Fire Bomb K, SHUUU!” 🔥
একটি আগুনের গোলা ছুটে গেল মুনস্টারের দিকে।
Suhan বলল —
“Root’s Net S, SHUUU!” 🌿
গাছের শিকড় বেরিয়ে এসে মুনস্টারটিকে জড়িয়ে ধরল।
Robin বলল —
“Sleepy Powder R, SHUU!” 💫
মুহূর্তেই মুনস্টারটি ঘুমিয়ে পড়ল।
তারা তিনজন একত্রে Power Magic ব্যবহার করে মুনস্টারটিকে চিরতরে নিস্তেজ করে দিল।
গ্রামবাসীরা খুশিতে হাততালি দিতে লাগল।
Reyon বলল,
“তোমরা আমাদের প্রাণ বাঁচিয়েছ! তোমাদের ধন্যবাদ জানাবো কীভাবে জানি না… তবে একটি কথা বলতে পারি — Roco Forest-এ একটি গুপ্তধন আছে। আজ পর্যন্ত কেউ খুঁজে পায়নি, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, তোমরাই পারবে!”
Keya: “ধন্যবাদ।”
Robin: “অসংখ্য ধন্যবাদ।”
Suhan: “Thanks.”
তারা তাবুতে ফিরে আলোচনা শুরু করল—
Keya: “তোমরা কি মনে করো, আমরা গুপ্তধনটা খুঁজে পাব?”
Suhan: “ভাগ্যে থাকলে পেতেও পারি।”
Robin: “আমরা একসাথে থাকলে সবই সম্ভব।”
Keya: “পেলে কী করব?”
Robin: “অর্ধেক আমরা রাখব, আর অর্ধেক Rabbit গ্রামবাসীদের দেব।”
Suhan: “ভালো বুদ্ধি।”
Keya: “Good idea!”
তারপর তারা ঘুমিয়ে পড়ল।
---
💎 Chapter 4: The Treasure (গুপ্তধন)
সকালে তারা প্রস্তুতি নিল গুপ্তধন খুঁজতে।
Robin: “Now SKR team is going to find treasure!!”
Keya: “অত খুশি হয়ো না, আগে দেখি পাই কিনা।”
Suhan: “হুম।”
খরগোশ গ্রামবাসীরা উৎসাহ দিল—
“তোমরা পারবে!”
তারা Roco Forest-এর দিকে হাঁটতে লাগল।
Robin: “আমরা হেঁটে যাচ্ছি কেন? আমাদের তো Super Power আছে! উড়ে যাই না?”
Keya: “তাতে তো মজা নষ্ট হয়ে যাবে। হাঁটেই যাই।”
Suhan: “ঠিক বলেছে।”
বনে প্রবেশ করতেই কিছু জংলি খরগোশ তাদের আক্রমণ করল!
তারা সহজেই তাদের হারিয়ে দিল।
Robin বলল —
“Water Cyclone R, SHUUU!” 🌊
এক ঝড়ো পানির স্রোতে জংলি খরগোশরা উড়ে গেল।
তারা তিনজন আলাদা হয়ে খুঁজতে লাগল।
অবশেষে Robin ও Keya একটি লাল বড় হীরা পেল।
তখন Suhan চিৎকার করে বলল,
“এই তোরা এইদিকে আয়! দেখ, আমি কী পেয়েছি!”
তারা ছুটে গিয়ে দেখল—একটি গুপ্তধনের বাক্স!
বাক্স খুলতেই দেখা গেল — সোনার মুদ্রায় ভর্তি! ✨
Robin: “আমরা পেরেছি!”
Keya: “হ্যাঁ! সোনা আর হীরা!”
Suhan: “Yeay!”
তারা গ্রামে ফিরে এসে অর্ধেক গুপ্তধন Rabbit গ্রামবাসীদের দান করে দিল।
সবাই উল্লাসে চিৎকার করে উঠল—
“তোমরাই আমাদের হিরো!”
---
🌍 Chapter 5: Come Back in Real World (বাস্তব জগতে ফেরা)
তারা পৃথিবীতে ফিরে এলো।
Robin: “আমরা এখন ওদের কাছে হিরো! খুব আনন্দ লাগছে।”
Keya: “আমারও।”
Suhan: “হুম।”
Robin: “তুই শুধু ‘হ্যাঁ’, ‘হুম’, ‘ঠিক আছে’ — এগুলোই বলিস!”
Keya: “হাহা! আরে ভাই, একটু কথা বল না!”
Suhan: “মজা করিস কেন, আমি এমনই।”
Robin: “আমরা মজা করব না তো আর কে করবে, হ্যাঁ?”
তিনজন হেসে উঠল, বন্ধুত্ব আরও গভীর হলো।
এভাবেই শেষ হলো তাদের Kid’s Adventure World – Season 1।
---
📖 পাঠকবৃন্দ!
এই পর্বটি আপনাদের কেমন লাগল জানাবেন।
আপনাদের উৎসাহই আমার লেখার প্রেরণা। 🌟
সম্পাদকীয় কার্যালয় : ১২০/এ মতিঝিল, সি/এ আর এস ভবন, ৩য় তলা, স্যুট-৪০২, ঢাকা-১০০০ / Office : Dhaka,Bngkadesh. Mobile : 01819885817, Email : digontodhara@gmail.com