
৫ অগাস্ট এর আগে বিএনপির হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার লিখে সারাদিন ফেসবুক গরম করে রাখা সেই আওয়ামী পরিবারের আরজু ৫ অগাস্ট এর পরের দিন থেকেই হয়ে যান বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী।
৫ অগাস্টের পরের দিন থেকেই বিএনপির বিভিন্ন নেতা নেত্রীকে ম্যানেজ করে বিএনপির প্রোগ্রামে অংশ গ্রহণ এর চেষ্টা করেন। মিলেও যায় সেই সুযোগ। জানা যায় পল্টিবাজ আরজুর বিগত ১৭ বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিটি এমপি মন্ত্রীদের সাথে সখ্যতা বজায় রেখে চলেছেন।
বিএনপির দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে প্রচার করে তার ছোট ভাই ইমরানকেও ছাত্রলীগের পদ জুটিয়ে দিয়েছেন। দুই ভাইয়ের ফেসবুক জুড়ে শুধুই ছিলো বিএনপির দ্বারা তারা নির্যাতনের শিকার শব্দটি। কিন্তু ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতন হলে দুই ভাইয়ের ফেসবুক থেকে হারিয়ে যায় বিএনপির দ্বারা নির্যাতনের শিকার শব্দ গুলি পাশাপাশি ডিলিট করে দেয় তারা আওয়ামী লীগের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সকল এমপি মন্ত্রীদের সাথে তোলা সেলফি। এখন তাদের ফেসবুক জুড়ে রয়েছে শুধু আওয়ামী লীগের সরকারের সময় তাদের নির্যাতনের শিকার কথাটি।
১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থাকা সেই আরজু, ৫ অগাস্টের পর রাতারাতি হয়ে গেলেন বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী! 🤯 যে মানুষটা বিএনপির হাতে নির্যাতিত বলে কান্নাকাটি করত, ছোট ভাইকে ছাত্রলীগের পদ পাইয়ে দিত—সে-ই এখন বিএনপির বড় নেতা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে!
এলাকাবাসী তাদের এই পল্টিবাজিতে রীতিমতো বিব্রত। ১৭ বছর আওয়ামী লীগের সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক রেখে এখন কিভাবে তারা বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে চলাফেরা করে বা কিভাবে তারা পুলিশ প্রশাসনের সাথে সখ্যতা বজায় রাখে সেই প্রশ্নের উত্তরও তারা জানে না। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দারা বলেন তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অসাধু রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সুবিধা দিয়ে নিজেরা নিরাপদ থাকে। এখন ওসির সাথে ছবি তুলে তারা আরো বেশি শক্তিশালী সেটা প্রমাণ করলো।