
ঢাকা মহানগর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আদাবর থানা অন্তর্গত ৩০ নং ওয়ার্ড এর আগে থেকে-এখন পযর্ন্ত মাদক ব্যবসা,কিশোর গ্যাং,দখলবাজ ও চাঁদাবাজদের দখলে রয়েছে,এইসম মুক্ত করাই আমার প্রথম চ্য্যলেঞ্জ হবে,আমার মা ও বোন সন্তান সহ কোনো নারীর সাথে অন্যায়,অবিচার,ইভটিজিংসহ রাস্তাঘাটে চলার পথে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে তা প্রতিহত করা হবে,আমি হাসান বেঁচে থাকতে এই ধরনের অপরাধ বিন্দুমাত্র ছাড় পাবেনা এবং কাউকে ইনশাআল্লাহ্ উক্ত অপরাধ করতে দেব না।
এই নেতা আরও বলেন,আমার বয়স যখন ১২ বছর,তখন থেকেই আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র আদর্শের প্রতি নিবেদিত এবং অনুগত সৈনিক,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ও গনতন্ত্রের আস্থার প্রতীক- আপোষহীন-দেশ’নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ও নীতিমালা নিয়ে লেখা সমস্ত লেখকের বই আমি নিয়মিত পড়তাম,জিয়াউর রহমান বীর উত্তম বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন ও বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন,তিনি একজন আদর্শবান রাজনৈতিক নেতা,তাঁর দলের কোনো বদনাম হয়,এমন কোনো কাজ আমি করতে চাই না,আর কাউকে ইনশাআল্লাহ্ করতেও দেব না।
আমি অঙ্গীকার করছি,ইনশাআল্লাহ্ ৩০ নং ওয়ার্ডকে আধুনিক ও মডেল একটি পরিচ্ছন্ন ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব ।
এই জননেতা হাসান আরও বলেন,আমি দীর্ঘদিন বিএনপির সাথে রাজনীতি করেছি,বিভিন্ন সময়ে আমার রাজনীতির প্রতি হিংসার কারণে সমালোচনা ও দল থেকে বিরোধিতার শিকার হয়েছি,আদাবর থানা যুগ্ম আহ্বায়ক পদ নিয়েও বিভিন্ন সময় আমাকে নিয়ে টানাপোড়েন হয়েছে,আমার সিনিয়র নেতাদের মাধ্যমে কখনো আমাকে বহাল,আবার কখনো স্থগিত করা হয়েছে,তবুও আমি দলের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি বিশ্বাস রেখে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে যাচ্ছি।
কেননা আমি জানি,দল করলে নেতৃত্বে’র লড়াইয়ে হিংসা-বিদ্বেষ থাকবেই,আমার পথচলায় এসব থাকতেই পারে,আমার যোগ্যতায় আমি তৃণমূল থেকে বেড়ে উঠে আসা একজন সাধারণ কর্মী,দলে’র নীতিনির্ধারক যদি আমাকে ভালোবেসে বিশ্বাস করে,তাহলে আরও বড় দায়িত্বও দল আমাকে দিতে পারে—এই বিশ্বাস আমি আমার সিনিয়র নেতাদের প্রতি রাখি।
আমি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শাসনামলে ১০০টিরও বেশি মামলার শিকার হয়েছি ও বহুবার কারা বরণ করেছি এবং আমাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ধারায় কয়েকবার গুম করার হয়েছে,জুলাই আগস্ট ছাত্র জনতার আন্দোলনের সময় আমাকে শেষ গুমের পর হত্যা করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছিল,কিন্তু আল্লাহর রহমত,আমার মা-বাবার ও সাধারণ মানুষের দোয়া এবং আপনাদের ভালোবাসায় আমাকে প্রাণে মারতে পারেনি।
তাই আমার খুব ইচ্ছা,আপনারা যদি সুযোগ করে দেন,তাহলে আমি ৩০ নং ওয়ার্ডবাসী ও এলাকার মানুষের সেবা করার একটি সুযোগ পাব,কারণ আমি আপনাদেরই সন্তান,আপনাদের সামনে বড় হয়েছি।
আমি যদি কারো সাথে জেনে বা না জেনে কোনো অন্যায় বা ভুল করে থাকি,আমাকে ক্ষমা করে দেবেন,ভুল মানুষেরই হয়,আমি কোনো ফেরেশতা নই,তাই বলছি,আমারও ভুল হতে পারে।
আমি চাই,আপনাদের সামনে বড় হয়েছি,আপনাদের সামনেই যেন মৃত্যুবরণ করে এই দুনিয়া থেকে চলে যেতে পারি,আমার জানাজায় আপনারা অংশগ্রহণ করবেন এবং আমার কবরে মাটি দেবেন—এইটাই আমার শেষ চাওয়া। এই নিউজ এর হেডলাইন বানিয়ে দাও